ঢাকা মেট্রোসার্কেল ভূমি অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্য

আগের সংবাদ

নির্বাচনে বিজয়ী হলে স্মার্ট মহাখালী রুপান্তরিত করবো :ইউসুফ সরদার সোহেল

পরের সংবাদ

বহিরাগত সাইফুল গংদের বিরুদ্ধে খিলক্ষেত থানায় জিডি ও অভিযোগ

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৪ , ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৪ , ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল এসিল্যান্ড অফিস বহিরাগত দালালের আখড়া পরিণত এমনি অভিযোগ উঠেছে। দালাল ছাড়া ফাইল লড়ে চড়ে না। ভুক্তভোগীদের দাবি ডিজিটাল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে এখানেই ভয়। সরিষার ভিতরে ভূতের আসর থাকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বাধাগ্রস্ত হবে না তো আমাদের দেশ?অভিযোগ পাওয়া গেছে কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান ইতিপূর্বে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে নানান দুর্নীতি অপরাধ কর্মের কারণে।অর্থলোভী কয়েকজন কর্মকর্তার কারণে এমনইটাই হতে যাচ্ছে ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল ভূমি অফিস।অভিযোগ উঠেছে ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল মাস্টার রোলে চাকরি করেন যারা তারাই অফিসের লালন পালনকর্তা।আরো বহিরাগত দালাল চক্র সাইফুল বাহিনী, তার বিরুদ্ধে অজস্র অভিযোগ। এসিল্যান্ড অফিসে আশেপাশে কথা উঠেছে পিচ্ছি সাইফুল কে নিয়ে।এসিল্যান্ড মহোদয় নাম ভাঙ্গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষকে বোকা বানিয়ে অপরাধ কর্মকাণ্ড করছে তিনি। দিল হাসিল করছে সাইফুল। কারিশমার ধারায় কাগজের কার্যক্রম তিনি সমাধান করে থাকেন,ডিসি অফিস এবং সকলের সাথে তা রয়েছেন অন্তরঙ্গার সম্পর্ক ।সরজমিনে অনুসন্ধান দেখা যায়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নানান পেশার মানুষকে সাইফুল বাহিনী কাছে প্রতারণার শিকার হয়েছে। তাদের হিংস্র থাবা থেকে সংবাদকর্মীরাও রক্ষা পায়নি।এমনটাই জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সংবাদ কর্মী রকি পাটোয়ারী।আর দেখা যায় আশেপাশে কিছু দালালের ভূমিকা দেশি রাজহাঁস মত যেভাবে পায় সেভাবেই খেতে চায়।নিয়ম-কানুন ভুলে গেছে তারা কি! কি দায়িত্ব! এমনি কার্যক্রমের ভিডিওফুটেজ দেখা যায়।খিলক্ষেত দালালের খপ্পরে ভরে গেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান, ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল ভূমি অফিস। ইতিপূর্বে সংবাদের শিরোনাম হয়েছে বহু প্রতিষ্ঠান।অপরাধীদের কর্মকান্ড কারণে ক্ষুন্ন হচ্ছে সরকারের ভাবমূর্তি। নানান দুর্নীতি অপরাধ কর্মের কারণে এমনইটাই হতে যাচ্ছে ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল ভূমি অফিসে।যা মহোদয় জালাল সাহেবের জানা নেই। নানান অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুষনীতি, একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার ও নিজস্ব সিন্ডিকেট গড়ে তোলার খবর পদ্মার আড়ালে রয়ে যায় অজানা কাহিনী।

সার্ভেয়ার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (মিজান)গ্রাহকদের সেবা না দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ খান। মিজানের সাথে অন্তরঙ্গ সু সম্পর্ক দালালও বহিরাগতদের সবুজ নিয়ন্ত্রণ করে সার্ভেয়ার
মিজানের আইডি।তিনি শুধু নির্দেশ দাতা।অভিযোগ রয়েছে শুধু মিজান নয়।বহু মিজান মনগড়া মত। অফিস পরিচালনায় ব্যস্ত যেখানে নেই কোন নিয়ম-শৃঙ্খলা,রয়েছে শুধু অনিয়ম দুর্নীতি। ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল এর মিজানের ভিডিও ফুটেছে স্পষ্ট সেবা মান কতটুকু সুরক্ষিত।কয়েকজন গ্রাহক প্রতিবেদকে বলেন স্যার বর্তমান এসিল্যান্ড’র ভালো মনের মানুষী ও সহজ সরলতার সুযোগ নিয়ে নিজস্ব সিন্ডিকেট, একক সেচ্চাচারীতা ও সর্বোচ্চহারে ঘুষ আদায়ের এক পৈচাশিক আবাসস্থল গড়ে তুলেছেন। টাকা ছাড়া এই চার’জনের কাছে থেকে সেবা না পাওয়া ভূমি জোতদারদের ভাষ্যমতে ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব এসিল্যান্ডের সার্ভেয়ার মিজান (৫০) ( সাইফুল (৩২) বহিরাগত ডিসি অফিস নিয়ে সর্বক্ষণে ব্যস্ত থাকেন সে।নাম্র কাজে নয়।অন লাইন (বাবুল) নামে পরিচিত একটি দোকান খুলে বসেছেন তিনি। স্থানীয়রা বলছেন এটা শুধুই বাবুলের সাইনবোর্ড। এসিল্যান্ড অফিসের প্রত্যেকটি কার্যক্রমের সাথে উনি সংযুক্ত কয়েকজন অভিযোগ করেছে। অফিসের ভিতরের এক নামে পরিচিত বাবুল।(৩৫) আরো জানা যায় সাইফুলের আলতাভুক্ত এক ডজন বেশি বহিরাগত দালাল রয়েছে। প্রতিটি দালাল যেন মহাক্ষুধার্ত রাঁজহাস! বিগত সাত আট বছরের মধ্যে ক্যান্টনমেন্ট এসিল্যান্ড অফিসে এরকম সিন্ডিকেটধারী, দুর্নীতিবাজ, ঘুষখেঁকো একত্রিত হতে পারেনি। উত্তরা, খিলক্ষেত, ক্যান্টনমেন্ট,স্থানীয় এলাকাবাসী।আগে কখনো দেখেনি! অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন দালালচক্র এসিল্যান্ডের সরল মন-মানসিকতার কারণে এমনটাই দাবি স্থানীয়দের। তারা নগদ টাকা পেলে কাজ করে, টাকা না পেলে নানান অযুহাত এনে নির্ভেজাল কাজও ভূমি সহকারী কমিশনার বরাবর না মঞ্জুরের সুপারিশ করে পাঠায়। ভূমি অফিসের দুজন সিনিয়র ব্যক্তি’র (সার্ভেয়ার ও কানুনগো) মাধ্যমে যখন কোনো নামজারি নথি এসিল্যান্ড বরাবর না মঞ্জুরের সুপারিশ করা হয়, তখন ভূমি সহকারী কমিশনার মহাদয়ের আর কিছুই করার থাকে না। কমিশনার সাহেবও তখন তাদের তালে তাল মিলিয়ে সাক্ষর করেন সার্ভেয়ার ও’র ভাষ্যমতে নামজারি ও জমাভাগের কেইসটি না মঞ্জুর করা হলো! এই যদি হয় ভূমি সেবা! মানুষ যাবে কোথায়? ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল এসিল্যান্ড অফিসে সেবা নিতে আসা অসহায় ভূমি মালিকদের মুখে মুখে শোনা যায় ‘অত্র অফিসের ঘুষখোর প্রাণির নাম সার্ভেয়ার (মিজান) অল লাইন (বাবুল) পিচ্ছি সাইফুল অরফে (দালাল)নামজারি নথি বা কেইস বাতিল করে যেন ভবিষ্যতে কোনো জবাবদিহির মখোমুখি না হতে হয় তারও বহু কৌশল তাদের নিজস্ব ফরমেটে তৈরি করা আছে। একটা নির্ভেজাল কাজে তাদের চাহিদা মতো টাকা না পেলে নামজারি বাতিলের সুপারিশ এমন ‘মূল কাগজপত্র বা দলিল প্রদর্শন না করায় অত্র নামজারি না মঞ্জুর করা যেতে পারে’! অথচ, তাদের সিন্ডিকেট বাহিনির বেলায় এ ধরনের কোনো অযুহাত নেই এবং সারাদিনে দু চারটি মূল দলিল বা মূল কাগজ দেখেছে এরকম নজির খুবই কম। আবার হয়তো কারো কারও নামজারি নথিতে মনগড়াভাবে লিখে রাখে নকশা, পেন্টা লাগবে বিধায় না মঞ্জুরের সুপারিশ! আবেদনকারী নিজে উপস্থিত না থাকায়; না মঞ্জুরের সুপারিশ! অথবা দলিল দাতার/গ্রহিতার বাবার/মায়ের নামের এক অক্ষর ভুল বা এ-কার নাই। আ-কার নাই বা ও-কার নাই, এইসব নিয়েও না মঞ্জুরের সুপারিশ! ওয়ারিশিয়ান সার্টিফিকেট ছয় থেকে এক বছরের পুরোনো হলেই তারা সরকারি নির্দেশনা দেখাবে যে- চলবে না, নিম্নতম তিন মাসের আপডেট লাগবে। সাধারণ পাবলিকের কাজে এরকম আপডেট কাগজ না থাকলেও নামজারি বাতিলের সুপারিশ করা হয়! অথচ, এমনও খারিজ ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে; যার ওয়ারিশিয়ান সার্টিফিকেট একদম জাল।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, রুপান্তর প্রতিদিন এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়