সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো মাদারীপুর মিউজিয়াম

আগের সংবাদ

শরীয়তপুর স্টেডিয়ামে খেলা বন্ধ রেখে মেলার আয়োজন, মাঠ নষ্টের অভিযোগ 

পরের সংবাদ

বাঁশখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হামলার শিকার বনকর্মী

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৩, ২০২৪ , ১:৫৯ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৪ , ২:০১ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী ইকোপার্ক এলাকাধীন বন বিভাগের পাহাড়ি অঞ্চলে সরকারি জায়গায় অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা ঘর উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে, এতে বিষু কুমার দাশ নামে এক বনকর্মী আহত হয়। তবে অপরপক্ষের দাবি বন বিভাগের লোকজনকে টাকা দিয়ে ঘর নির্মাণ করার পর অবৈধ বলে উচ্ছেদ।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারী) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে পূর্ব-শীলকূপ আদর্শ গ্রাম বাঁশখালী ইকোপার্কের পাহা‌ড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বনকর্মী বিষু কুমার দাশ (৪৪), নেজামুল হক (৫৬), নারায়ণ কুমার দত্ত (৫৫), শওকত উল্লাহ (৪২), ইসরাইল হকসহ ৫/৬ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে বিষু কুমার দাশের অবস্থা গুরুতর হওয়াতে তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান রেইঞ্জার।

বাঁশখালী ইকোপার্ক রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসরাইল হক আরো জানান, দক্ষিণ জলদি এলাকার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র ইসমাইল হোসেন নামে এক লোক শীলকূপের আশিঘর পাড়া এলাকায় থাকে, সে ওই এলাকার মোক্তার আহমদ নামে এক লোককে বন বিভাগের জায়গায় অবৈধ ভাবে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে মর্মে খবর পেরে বাঁশখালী থানা পুলিশের সহযোগিতায় আমরা ঘরটি ভাঙতে যাই। ওই ঘরটি ভেঙ্গে দিয়ে চলে আসার সময় আশিঘর পাড়া এলাকায় আসার সাথে সাথে জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র ইসমাইল, শীলকূপের মৃত আলী আহমদের পুত্র মোঃ ফরিদ ও নাছির উদ্দীন, একই এলাকার শাহাবুদ্দিন ও মোক্তার আহমদসহ অন্তত ১০/১২ লোক লাঠিসোঁটা দিয়ে পেছন থেকে আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের প্রায় ৫/৬ জন আহত হয়েছে, আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা সেরে বাড়ী ফিরলেও বিষু কুমার দাশের অবস্থা গুরুতর হওয়ার ফলে তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেছে কর্তব্যরত চিকিৎসক। মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং হামলাকারীদের সকলের নাম ঠিকানাসহ সংগ্রহ করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে বলেও জানান রেইঞ্জার ইসরাইল।

অপরদিকে ইসমাইল, মোক্তারসহ স্থানীয়দের দাবি, বন বিভাগের লোকজনকে ২০ হাজার টাকা করে দুই ধাপে ৪০ হাজার টাকা দিয়েছে, এরপর ঘরটি বাঁধতে সুযোগ দেয়াতে ঘরটি বেঁধেছে। পরে বন বিভাগের লোকজন আরো বেশি টাকা দাবি করে, এতে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় বন বিভাগের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরটি ভেঙ্গে দিয়েছে। অথচ শীলকূপ, চাম্বল, পুঁইছড়ি এলাকায় সরকারি জায়গায় গড়ে উঠা হাজার হাজার স্থাপনা অক্ষত রাখা হয়েছে বলে জানান তারা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাঁশখালী থানা পুলিশ তদন্ত (ওসি) সুধাংশু শেখের হালদার জানান, বন বিভাগের লোকজন তাদের জায়গাতে গড়ে গড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়েছিল, উচ্ছেদ করে আসার পথে স্থানীয় কিছু লোক পথে বেরিকেট দিয়ে হামলা করেছে,এতে বন বিভাগের এক কর্মী আহত হয়৷ এসময় পুলিশ হামলাকারীদের ধাওয়া করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।তবে এবিষয়ে এখনো পর্যন্ত বন বিভাগের পক্ষ থেকে লিখিত কোন অভিযোগ করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, রুপান্তর প্রতিদিন এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়