ঝিনাইগাতীতে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আগের সংবাদ

বাঁশখালী বঙ্গবন্ধু স্কুলের প্রবীন শিক্ষক আজিজুর রহমানের জানাযায় হাজারো মানুষের ঢল

পরের সংবাদ

বাঁশখালীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জায়গা দখল চেষ্টার অভিযোগ 

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৩ , ১১:০০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৩ , ১১:০০ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর উপজেলার বাহারচড়া ইউপির ইলশা গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জায়গা জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরের সরেজমিনে পরিদর্শনে ইলশা গ্রামের মঙ্গলারো ঘাটার তেমুহনী এলাকায় জায়গা জবরদখল চেষ্টার সত্যতা পাওয়া যায়। বাদীগণের দাবীকৃত আরএস ও বিএস একাধিক খতিয়ানের সর্বমোট ৭ টি তফসিলে ২৯.২০ শতক জমি সংক্রান্তে বাদীগণ বাঁশখালী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ১৬৫/২০১০ ইং- মামলা দায়ের করেছে, যাহা আদালতে চলমান রয়েছে,উক্ত মামলার আর্জি ও বাদী সুত্রে জানা যায়, বাদী পক্ষের দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে আরএস ১২৭৫ নং খতিয়ান ও আরএস ৫০৩ খতিয়ান ও বিএস ৯৮০ নং খতিয়ান বিএস ৮৮৫০ দাগে জায়গা ওই মামলার ৯ নং বিবাদী হাবিবুর রহমান ও ১০ নং বিবাদী দলিলুর রহমান গংরা জোরপূর্বক জায়গা দখল চেষ্টা করায় বাদী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিএস ৯৮০ নং খতিয়ানের বিএস ৮৮৫০ দাগে মাননীয় আদালতের নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন, উক্ত মামলার ৯/১০ নং বিবাদী পক্ষের লোকজনের ওই দাগে কোন সত্ত্ব না থাকা সত্বেও আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জবরদখল চেষ্টা করায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বাদী পক্ষের আব্দুল মুজিব ও আবু ছালেক বাদশা বলেন, ৯/১০ নং বিবাদী হাবিবুর রহমান ও দলিলুর রহমান গং ভুয়া তথ্য উপাত্ত দিয়ে তাদের নামে নালিশী তফসিলের বিএস ৯৮০ নং খতিয়ান ও ১৭০৭ নং খতিয়ানের বিএস ৮৮৫০ দাগে ৩৩১৭ নং নামজারি খতিয়ান সৃজন করিলে বাদী পক্ষের নামজারি খতিয়ান নং ৩২০৮ সহ বৈধ দলিলাদি পর্যালোচনা করিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) বিবাদীপক্ষের উক্ত ৩৩১৭ নং নামজারি খতিয়ান খারিজ করিয়া দেয়। এতে বিবাদী হাবিবুর রহমান ও দলিলুর রহমান গং ক্ষিপ্ত হইয়া উক্ত জবরদখল করার চেষ্টা করছে মর্মে অভিযোগ উঠে। বিবাদীরা নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন জায়গাতে কাজ করছেনা বরং সরকারি জায়গাতে কাজ করতেছে বলে বিবাদীর লোকজনের অন্যায় কাজে পুলিশ সহযোগিতা করছে বলেও জানান বাদীপক্ষ।
তারা যে কোনো সময় জবরদখল করতে পারে এমন আশংকাও  রয়েছে বলেও জানান বাদী পক্ষ।
অপরদিকে বিবাদী পক্ষের লোকজন বলেন, তারা যেই জায়গাতে কাজ করতে চাচ্ছে সেই জায়গা সরকারি খাসের জায়গা বলে জানান তারা। কোন ধরনের মালিকনা না থাকা সত্বেও খাসের জায়গার নামে ব্যক্তি মালিকানা জায়গা জবরদখল চেষ্টা ও পুলিশের পক্ষপাতিত্বের কারণে যে কোন সময় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে মনে করছে স্থানীয় সচেতন মহল।
এবিষয়ে বাহারচড়া পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মজনু জানান, বাদীগণেে দায়েরকৃত মামলায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, দুই পক্ষের সম্মতিতে ৩ জন সার্ভেয়ার দিয়ে ওই জায়গা পরিমাপ করা হয়েছে,বিবাদী পক্ষের লোকেরা নিষেধাজ্ঞার জায়গাতে কাজ করতেছেনা, তারা কাজ করতেছে সরকারি জায়গায়, আর সরকারি জায়গা সংরক্ষণের দায়িত্ব এসিল্যান্ডের, পুলিশ নয় এমন বক্তব্য দেন পুলিশ মজনু।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, রুপান্তর প্রতিদিন এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়