বাউনিয়া ভূমি অফিসে চলছে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুর রহিম এর রমরমা ঘুষ দূর্নীতি আর লুটপাট বাণিজ্য

আগের সংবাদ

নাসিরনগর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আশফাকুর রহমানের ঘুষ দূর্নীতি আর রমরমা বাণিজ্য

পরের সংবাদ

মিরপুর-১ সাব রেজিস্ট্রার অফিসে চলছে সহকারী সবুজ-ফরজের রমরমা ঘুষ দূর্নীতি আর লুটপাট বাণিজ্য

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৪ , ১২:১৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১১, ২০২৪ , ১২:১৪ অপরাহ্ণ
রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১ সাব রেজিস্ট্রার অফিস এখন পরিণত হয়েছে সবুজ-ফজরের রমরমা ঘুষ দূর্নীতি ও দলিল বাণিজ্যের নিরাপদ অভয়ারণ্যে। এখানে ঘুষ ছাড়া মেলেনা সেবা, নড়েনা ফাইল।
অভিযোগ রয়েছে, নাল জমিকে ডোবা নালা দেখিয়ে হায়ার ভ্যালু আর আন্ডার ভ্যালুর মারপ্যাচে ফেলে দলিল প্রতি সাব রেজিস্ট্রার এর নামের উপর কালেকশন করা হচ্ছে ৯ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা। আবার কখনো কখনো দলিলে সমস্যা আছে এমন মনগড়া অভিযোগ তুলে দলিল লেখক সমিতির কতিপয় নামধারী নেতা, সাব রেজিস্ট্রার এর সহকারী সবুজ  এবং ফরজ এর মাধ্যমে সাব রেজিস্ট্রার লুটে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।
আমাদের ক্রাইম রিপোর্টার প্রেরিত তিন পর্বের একটি ধারাবাহিক প্রতিবেদনের সারাংশটুকু অবহিত করে সবুজ-ফরজের নিকট বক্তব্য জানার প্রেরণ করা হলেও তাঁরা কোনো বক্তব্য দেননি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মিরপুর-১ সাব রেজিস্ট্রার অফিসে এখন সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তৌফিক সালাউদ্দিন।
দেশের ভূমি অফিস ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসগুলোর দুর্নীতি এখন ওপেন সিক্রেট। এখানে ঘুষ ছাড়া মেলেনা সেবা, নড়েনা ফাইল। মিরপুরের সচেতন এলাকাবাসীর অভিযোগ এই সাব রেজিস্ট্রার এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে এখানে সহকারী সবুজ ও ফরজ এবং তাদের নিজস্ব দালাল সিন্ডিকেট  এই সাব রেজিস্ট্রার অফিসকে ঘুষ দূর্নীতির তীর্থ স্থানে পরিণত করেছেন।
সবুজ-ফজর জুটি তাদের নিজস্ব পোষ্য দালাল সিন্ডিকেট দিয়ে এই অফিসকে জিম্মি করে দুহাতে লুটছেন কাড়ি কাড়ি টাকা।
সাব রেজিস্ট্রার তৌফিক সালাউদ্দিন এর খুব বিশ্বস্ত এই সবুজ ও ফজর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে নিজস্ব একটি বলয় সৃষ্টি করেছেন।
এদিকে সচেতন এলাকাবাসী বলছেন অসংখ্য দূর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত সাব রেজিস্ট্রার ও তাঁর অধিনস্ত কর্মচারীদের অপসারণ ও নামে বেনামে গড়ে উঠা তাঁদের অবৈধ সম্পদের খোঁজ তল্লাশীপূর্বক বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনতে মাননীয় আইজিআর উম্মে কুলসুম মহোদয় সহ দুদকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
পুনশ্চঃ মিররপুর-১ সাব রেজিস্ট্রার অফিসের দুর্নীতির কোনো রিপোর্ট যাতে কোনো পত্রিকায় ছাপা না হয় এ কারণে সাব রেজিস্ট্রার তৌফিক সালাউদ্দিন এর নির্দেশে দলিল লেখক সমিতি ও তার স্টাফদের যৌথ উদ্যোগে প্রথম শ্রেণীর সাংবাদিকদের মাস প্রতি ৩ থেকে ৫ হাজার, দ্বিতীয় শ্রেণির সাংবাদিকদের মাস প্রতি ১ থেকে ২ হাজার ও নামসর্বস্ব নিউজ পোর্টালের সাংবাদিকদের মাস প্রতি ৫০০ থেকে ১ হাজার করে দিয়ে এ অফিসের কোনো নেগেটিভ নিউজ ছাপা হবেনা মর্মে অঙ্গীকার করিয়ে নেন।
 এ বিষয়ে সাব রেজিস্ট্রার এর মোবাইল নাম্বারে কল করা হলেও তিনি রিসিভ না করাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।।
( এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়ুন আগামীকাল)

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, রুপান্তর প্রতিদিন এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়