মালয়েশিয়া প্রবাসীর মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতাম

আগের সংবাদ

বাঁশখালী উপজেলা যুব লীগের আহ্বায়ক হলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যাপক নুরুল মোস্তফা সিকদার সংগ্রাম

পরের সংবাদ

শতকে ৭ লাখ টাকার গড়মিল, রংপুরে লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের জমি ক্রয়ে কোটি টাকার ঘাটতি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৪ , ৩:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৪ , ৩:০১ অপরাহ্ণ

রংপুরের বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের ২৬ শতক জমি ক্রয়ে ১কোটি ৮২লাখ টাকার গড়িমিল হওয়ার খবরে অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে লায়ন্স ক্লাব। এতে বেশ নড়েচড়ে বসেছে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ সহ সদ্য বিদায়ী কমিটির লোকজন।

সাবেক গভর্নিং বডির বিরুদ্ধে অভিযোগ, চুক্তি পত্রে শতক প্রতি জমির মূল্য ১৩ লাখ টাকা নির্ধারিত থাকলেও ২৬ শতক জমি রেজিস্ট্রি দলিল হয় ৬ লাখ টাকা দরে ১কোটি ৫৬ লাখ টাকায়। তাতে শতক প্রতি ৭ লাখ টাকা কমে ১কোটি ৮২ লাখ টাকার গড়িমিল দেখা দিয়েছে । এঘটনায় শিক্ষার্থীদের অভিভাবিবকসহ সচেতন মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি একটি বহুল প্রচারিত গণমাধ্যম ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানাগেছে, রংপুর নগরীর জিএল রায় রোডে অবস্থিত সনামধন্য লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের জমি সংকট নিরসনে পুলিশের সাবেক ডিআইজি মিলি বিশ্বাসের নিজস্ব ২৬ শতক জমি কেনার জন্য চুড়ান্ত করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ রায়হান শরিফ সহ ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যান লায়ন আকবর হোসেন ও লায়ন্স ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট লায়ন এনামুল হক সোহেলসহ সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট লায়ন একে এমন বানিউল আদম বাবু।

এতে জমি বিক্রেতার সাথে শতক প্রতি ১৩ লাখ টাকা দর দাম নির্ধারিত করে ২৬শতক জমির মূল্য ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধ করে জমির মালিক পক্ষের নিকট রেজিস্ট্রি দলিল করেন ১কোটি ৫৬ লক্ষ টাকায়
এবং ওই দলিল রেজিস্ট্রি হয় গত ২৪/৫/২৩ইং তারিখে যার দলিল নং ১১২৭৪/২০২৩।
এতে নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় প্রায় ১কোটি ৮২ লাখ টাকা জমির দলিল অনুযায়ী গড়মিল দেখা দেয়।

এতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবিবকসহ লায়ন্স ক্লাবের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে সন্দেহের দানা বাঁধে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্লাবের কয়েক জন সদস্য প্রতিবেদককে বলেন,রেজিস্ট্রিকৃত ওই ২৬ শতক জমি ক্রয়ে সত্যিকার অর্থে কত টাকা জমির মালিক নিয়েছে তা নিয়েও এখন অনেকটাই ধোয়াসা। তবে সদ্য বিদায়ী কমিটির লোকজন ১৩লক্ষ টাকাই যদি দলিলে উল্লেখ করতেন তাহলে ওই রেজিস্ট্রি দলিলটির একটি ভেল্যু থাকতো আলাদা। এতে আঙ্গুল উঁচিয়ে বাঁকা চোখে কেউ দেখতো না। আর ভবিষ্যতে কোনো ঝামেলা থাকতো না। তাদের এই কর্মকাণ্ডে ওই ক্রয়কৃত জমির দলিলটি ভবিষ্যতে বড় ঝামেলায় রূপ নিতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

এদিকে অভিযুক্ত সাবেক গভর্নর কমিটির চেয়ারম্যান লায়ন আকবর হোসেন দাবি করছেন প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই ওই মৌজার নির্ধারিত মূল্যে রেজিস্ট্রি দলিল করেছেন তারা। এতে করে কোনো ঝামেলা ভবিষ্যতে হবে বলে আমার মনে হয় না।

এবিষয়ে লায়ন্স ক্লাবের প্রেসিডেন্ট লায়ন মোঃ আজহারুল ইসলাম দুলাল প্রতিবেদককে বলেন আমরা এঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি তারা অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। তার আগে কিছু বলা যাচ্ছে না।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, রুপান্তর প্রতিদিন এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়